জোড়া শালিক সৌভাগ্যের প্রতিক
শাহ সাবরিনা মোয়াজ্জেম
ভেদের কারবারির
— মাটিলগ্না জন্মদাগ।
সীতাসাধবী আর পতিপ্রাণ্যবরের
— অগোছালো চিরচিরে —যৌবনফাটা
আড়ম্বরে — অন্কশায়িনীর উঠানামা।
ওরে — প্রেত নাকী
— নাহ নিখুঁত বিন্যাসের শাকম্ভরী!
ধৃষ্টতার অপচেষ্টায় — বিঘ্নহীন ক্লেশে
মানুষ — অনুমেয় ধারনা দ্বারা
— রঞ্জিত হয়!
অমৃত সুধার মনস্কামে —
অধুনা জল- প্রবাহের নিকোটিনে
— হুক্কোর আদল নেই
— আছে হুশ হারানোর পন্থা!
সম্মোহনী প্রহরে — দু চোখ মেলে ধরো
বাড়ন্ত শালিকের ভগান্কুরে!
শালিক সৌভাগ্যের প্রতিক হয়!
তাইতো — আত্মীক নির্বাসনের
— সেকুল ধরে টানো!
কুয়োর কাল ঘুমের বিন্যস্ত
— রঙের তামাটে ডামাডোল!
শেকড় থেকে মগডালের নগ্নতা কতোদুর?
তেরচা ডালের পলকে আছি
— মূর্ত প্রলয়ের সফরে—!
কালরাত্রির বহুধা বহুমাত্রিক সফর
— যাবতজীবনের অন্তকালীন কারাগারে!
তবুও নদী থাক বহতা—!
বায়ু থাক নির্মল—!
প্রেম থাক মনে—!
ভালোবাসা থাক নৈঋত গম্ভীর শব্দের
— এলোমেলো পদাবলিতে!
বালখিল্য — স্বভাব থাক আচরণে।
বাউকুলের — কদর থাক
পুরুষের বুকে—!
কাঁটাতাঁর ছিন্ন হোক — বহুধা ব্যবহারে!
আতাফল চোখ থাক — প্যাঁচার আনুকুল্যে!
তরঙ্গের চূঁড়ায় লহরি থাক
— ঈশ্বরের মেহেরবানীতে!