• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কারাগার থেকে আসামী পলায়ন, ৬ কারারক্ষী বরখাস্ত সফলতার জন্য অদম্য ইচ্ছা, কঠোর পরিশ্রম আর ব্যর্থতাকে জয় করে এগিয়ে যাওয়া শিক্ষক বাসন্তী ও রোমার কাহিনী নাঙ্গলকোটে ভূলুয়াপাড়া প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে কম্বল বিতরণ আমার কোনো হাঁসের ডিম যেন চুরি না হয় : রুমিন ফারহানা ধানের শীষ জয়ী হলে দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হবে: প্রকৌশলী শ্যামল স্বামী জিয়াউর রহমানের পাশে চিরনিদ্রায় খালেদা জিয়া বিজয়নগরে ইটভাটা গিলে খাচ্ছে ফসলি জমির টপ সয়েল, প্রশাসন নীরব। বিজয়নগ‌রে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতায় উপ‌জেলা মডেল মসজিদে দোয়া মাহফিল সরাইলে সাজা‌নো হত্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, ঘর বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও ভাংচুর সরাইলে মিথ্যা হত্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, ঘর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কারাগার থেকে আসামী পলায়ন, ৬ কারারক্ষী বরখাস্ত

অভিযান 24 ডেস্ক / ৩১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে হৃদয় মিয়া (২৮) নামের এক আসামি অন্য আসামির জামিনের কাগজ দেখিয়ে কৌশলে পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে গতকাল শনিবার ছয় কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি পাঁচ হাজতি ও দুই কয়েদির বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করা হয়েছে।

পালিয়ে যাওয়া আসামি হৃদয় মিয়া জেলার কসবা উপজেলার নিমবাড়ি মধ্যপাড়ার মুজিবুর মিয়ার ছেলে। গত মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে কারাগার থেকে পালিয়ে যান তিনি।

চট্টগ্রাম বিভাগের কারা উপমহাপরিদর্শক ছগির মিয়া তদন্তের অংশ হিসেবে গতকাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, অন্য আসামির জামিনের কাগজ দেখিয়ে হৃদয় নামের এক আসামি কারাগার থেকে কৌশলে পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় সদর থানায় মামলা হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ছয় কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন কারারক্ষী মোরশেদ আলম, ফটক কারারক্ষী মো. হানিফ, মুক্তি শাখার কারারক্ষী সাহাব উদ্দিন, ভর্তি শাখার ইনচার্জ ও কারারক্ষী রবিউল আলম, কারাভ্যন্তর গোয়েন্দা কারারক্ষী জাহিদ হাসান, আইসিটি শাখার কারারক্ষী আবু খায়ের।

বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেল সুপার ওবায়দুর রহমান বিষয়টি লিখিতভাবে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতকে (নবীনগর) অবহিত করেন। একই দিন কারাগারের জেলার মনজুরুল ইসলাম সাতজনকে আসামি করে সদর থানায় একটি মামলা করেন।

মামলার আসামিরা হলেন পলাতক হাজতি হৃদয় (২৮), নবীনগর উপজেলার কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা হাজতি দিদার হোসেন (২৮), একই উপজেলার নান্দুরা পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা হাজতি বিল্লাল মিয়া (২২), সদর উপজেলার পাঘাচংয়ের বাসিন্দা কয়েদি মো. পলাশ হোসেন (২৫), কসবা কোন্নাবাড়ির বাসিন্দা কয়েদি আক্তার হোসেন ওরফে ছোটন (৩০), সিলেটের মোগলাবাজার সুলতানপুরের বাসিন্দা হাজতি শিপন মিয়া (৪৫) এবং কসবার সোনারগাঁওয়ের বাসিন্দা হাজতি মনির হোসেন (৫৫)। মামলায় অজ্ঞাতনামা পাঁচ থেকে সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাটি সত্য। তদন্ত কমিটি গঠনের প্রয়োজন হবে না। কারণ, ছয় কারারক্ষীকে বরখাস্ত করা হয়েছে।


More News Of This Category

You cannot copy content of this page