• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
নেত্রকোণায় নবজাতকে জিম্মি করে নারীকে ধর্ষণ চেষ্টাঃ গ্রেফতার ০১ বাঞ্ছারামপুরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাদকবিরোধী নাগরিক সমাবেশ সাতছ‌ড়ি‌ জাতীয় উদ্যান থে‌কে সেগুনগাছ চু‌রি বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ে ৮৪ শিশু হাম রুবেলা আক্রান্ত হয়েছে প্রবাসীদের জন্য সিলেটে চালু হচ্ছে আধুনিক আবাসন প্রকল্প: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী ধুপাখোলা ব্রিজের ধীরগতির কাজে চরম ভোগান্তি প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা জোরদার: সচিবালয় থেকে সরছে ১৬৯ পুলিশ সদস্য নোয়াখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ অর্থ ও ত্রাণ বিতরণ কারিনা কায়সারের অকাল মৃত্যু শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে গুলশান সোসাইটির পরিচ্ছন্নতা অভিযান

ধুপাখোলা ব্রিজের ধীরগতির কাজে চরম ভোগান্তি

অভিযান ডেস্ক / ৬৫ Time View
Update : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

জাহাঙ্গীর আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সিমনা-বি.বাড়িয়া সড়কের ধুপাখোলা এলাকায় নির্মাণাধীন একটি ব্রিজের ধীরগতির কাজের কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। দীর্ঘ তিন বছরেও ব্রিজটির কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন কয়েক হাজার মানুষ।

জানা গেছে, বিজয়নগর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে অন্তত ৭টি ইউনিয়নের মানুষের জেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম এই সড়ক। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ৫টি ব্রিজসহ পুরো সড়কের কাজ শেষ হলেও ধুপাখোলা ব্রিজটির নির্মাণ কাজ এখনো অসমাপ্ত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এখন পর্যন্ত ব্রিজটির প্রায় ৬৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

ব্রিজের কাজ শেষ না হওয়ায় পাশের প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ ফুট বেহাল বিকল্প রাস্তা দিয়েই যানবাহন চলাচল করছে। শুষ্ক মৌসুমে ওই স্থানে ছিল বালুর স্তূপ, আর বর্ষা শুরু হওয়ার পর সামান্য বৃষ্টিতেই সেখানে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। ফলে কাদায় একাকার হয়ে পড়ছে পুরো রাস্তা। এতে যান চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ছে এবং প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত পাঁচ মাসে কয়েকবার নামমাত্র বালু ও কংক্রিট ফেলে রাস্তাটি সচল রাখার চেষ্টা করা হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান করা হয়নি। নিম্নমানের কার্পেটিং ও ভারী বৃষ্টির কারণে সড়কের বিভিন্ন অংশ ইতোমধ্যে ভাঙতে শুরু করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্তমান কাজের গতি অব্যাহত থাকলে ব্রিজটির অবশিষ্ট কাজ শেষ হতে আরও কয়েক বছর লেগে যেতে পারে। এদিকে ব্রিজ নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই সড়কটি আবারও সংস্কারের প্রয়োজন হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও বিভিন্ন গণমাধ্যম একাধিকবার প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এলাকাবাসীর দাবি, ব্রিজ নির্মাণে যত সময়ই লাগুক না কেন, অন্তত জনগণের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত ২৫০-৩০০ ফুট ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাটি কার্পেটিং করে চলাচলের উপযোগী করা হোক।


More News Of This Category

You cannot copy content of this page