ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে নির্বাচনী পরবর্তী সহিংসতায় কলেজ ছাত্রের প্রাণ হানীর ঘটনায় আসামীরা এখনো ধরা ছোয়ার বাইরে। জানা যায়, মহসিন (৩৭), দেলোয়ার (৪৫) এবং মুন্না (২৭) কে পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও মামলার অন্যতম আসামী হেলাল ( ৩৮), জজ মিয়া (৩০), আলফাজ (৪৫) লালন (৩৫) আলী আজগর (৬৫) এখনো পলাতক রয়েছে। মামলার বাদী সাবেক মেম্বার নিহত কলেজ ছাত্রের পিতা আশরাফ আলী জানান, এখনো, অনেক আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। দ্রুত গ্রেপ্ততার করে বিচারের কার্যক্রম তরান্নিত করার তিনি জোড় দাবী জানান। নিহত কলেজ ছাত্রের মায়ের সাথে কথা বললে তিনি আহাজারি করে ছেলের বিচার প্রার্থনা করেন। কলেজে নিহত ছাত্রের মানববন্ধনসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় খবর প্রচার হলেও আসামীরা এখনো আইনের আওতায় আসছে না । আসামীরা এলাকায় ধাপড়িয়ে বেড়াচ্ছে । এ বিষয়ে বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ মির্জা মোহাম্মদ হাছান জানান, আমরা আসামীদেরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছি। বর্তমানে সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২৬ ডিসেম্বর ৪র্থ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়নগর উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পূর্ণ হয়। নির্বাচনের পর ২৮ ডিসেম্বর রাত ৮ টার দিকে উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের বড়চাল পূর্বহাটি কামাল মিয়ার চা দোকানের সামনে পলাজিত দুই মেম্বার প্রার্থী মোঃ আশরাফ আলী ও মোঃ মহসিন মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে একে অপরের পরাজয়ের কারণ চিহিৃত করে দুষারোপ করায় বাগবিতন্ডার এক পর্যায়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হলে উভয় পক্ষের ৮ জন লোক আহত হয়। আহতদের মধ্যে আশরাফ আলী মেম্বারের ছেলে ধর্মঘর ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি শিক্ষার্থী মোঃ শুভ ঢাকা হেলথ কেয়ার হাসপাতালে ২ জানুয়ারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। ডেস্ক রিপোর্ট, অভিযান, বিজয়নগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ।