• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
সিলেটে এস এস সি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষ্যে মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিজয়নগরে রাতের আধারে কৃষকের জমি নষ্ট, পুলিশ প্রশাসন নীরব মাধবপুরে অপরূপা বালিকা বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল   প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে ঠিকাদারের ধাওয়ার ঘটনায় মামলা নবিনগরে বাঁশ নিয়ে প্রকৌশলীকে তাড়া ঠিকাদারের বর্ণিল আয়োজনে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ মুরাদনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন নৌপুলিশের অভিযানে মেঘনায় বালু দস্যু চক্রের সদস্য খলিল গ্রেপ্তার সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন থেমে নেই বিজয়নগরের বালিয়াজুরী নদীর ব্রীজের  অভাবে ভোগান্তির স্বীকার  কৃষকরা

পিস্তল জমা দেননি আখাউড়ার সাবেক পৌর মেয়র, তাক‌জিল খ‌লিফা

অ‌ভিযান 24 / ৪৩০ Time View
Update : শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

ব্রাহ্মণবা‌ড়িয়া  প্রতি‌নি‌ধি :
ব্রাহ্মণবা‌ড়িয়ার আখাউড়ায় নিজের নামে লাইসেন্স করা পিস্তল জমা দেননি আখাউড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. তাকজিল খলিফা কাজল। সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়ের শেষ দিনেও তার অস্ত্র থানায় জমা পড়েনি। তাকজিলের দাবি, তার পিস্তল লুট হয়ে গেছে।
পিস্তলের লাইসেন্সের প্রয়োজনীয় দলিলাদি ও লুট হওয়ার বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) জানিয়ে লিখিত আবেদনপত্র দিয়েছেন তাকজিল খলিফা। আবেদনপত্র দুটিতে ৩ সেপ্টেম্বর সই করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের কাছে করা আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিনিধির মাধ্যমে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে ব্যর্থ হয়ে সেখানে অস্ত্র লুটের বিষয় জানাতে ডাকযোগে লিখিতভাবে পাঠানো হয়েছে। ওসিবরাবর করা আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের চলমান পরিস্থিতির কারণে জিডির আবেদন করতে দেরি হয়েছে। এ ছাড়া ব্যক্তিগত নিরাপত্তাহীনতায় থাকায় অনলাইনে জিডি করা হয়। তাকজিল খলিফার নামে ২০১৯ সালের ২১ জুলাই এনপিবি পিস্তলের লাইসেন্স ইস্যু করা হয়। পিস্তলটি জার্মানের তৈরি।

আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সোহেল বলেন, ‘অস্ত্র হারানোর বিষয়ে অস্পষ্ট লেখার একটি কাগজ আমার ফোনে এসেছে। কে এটি পাঠাল সেটিও আমাকে নিশ্চিত করা হয়নি। আর ডাকযোগে পাঠানো কাগজ এখনও পাইনি।’

জেলা প্রশাসনসূত্র জানান, ২০০৯ সাল থেকে যেসব অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয় সেগুলো বাতিল করে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেয় সরকার। ৩ সেপ্টেম্বর অস্ত্র জমা দেওয়ার সময় বেঁধে দেওয়া হয়। এ অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সমপর্ণযোগ্য ৬৩টি অস্ত্রের মধ্যে নির্ধারিত সময়ে ৬০টি জমা পড়ে। এসব অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে পিস্তল, শটগান ও দোনলা বন্দুক।

স্থানীয়রা জানান, ৫ আগস্ট মেয়রের পৌর এলাকার রাধানগরের বাড়ির সামনে আন্দোলনকারীদের মিছিল এলে ছাদ থেকে ঢিল ছোড়া ও ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এর পরই বাড়িতে আক্রমণ হলে তাকজিল খলিফা পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা অনেকে কিছুক্ষণ পর বিষয়টি বুঝতে পেরে তারাও ওই বাড়ি থেকে সরে যান। এ সময় মেয়রের বাড়িতে ব্যাপক হামলা-ভাঙচুর চালানো হয়। পরে লুটপাট চালিয়ে ঘরের মালামালসহ অনেক টাকা নিয়ে যাওয়া হয়। ওইদিন রাতে মেয়র তার গ্রামের বাড়িতে চলে গেলে সঙ্গে পিস্তল ছিল না বলে এক সূত্র জানান। এর পর থেকে পিস্তল লুট হওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

তাকজিল খলিফা সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। তৃতীয়বার মেয়র হওয়ার পর তিনি পিস্তল ব্যবহার শুরু করেন। প্রথম দিকে প্রকাশ্যে কোমরে রেখে ঘোরাফেরা করতেন, যা আইনসিদ্ধ নয়। কয়েক মাস এভাবে দৃশ্যমান দেখার পর অবশ্য তিনি কোমরে রাখলেও সেভাবে কারও চোখে পড়ত না।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন সুলতানা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বলেন, ‘আমরা সমর্পণযোগ্য ৬৩টি অস্ত্রের মধ্যে ৬০টি নির্ধারিত সময়ে জমা পেয়েছি। বাকি যে তিনজন দেননি তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


More News Of This Category

You cannot copy content of this page