আলমগীর হোসেন বিজয়নগর থেকে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগরে রাতের আধারে কৃষকের জমি নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে, আইনী সহযোগিতা না পেয়ে কৃষক মাসুদ খন্দকার দিশেহারা। সরে জমিনে জানা যায়, উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের খাটিঙ্গা মধ্যপাড়ার আব্দুর রহিম খন্দকার এর ছেলে মাসুদ খন্দকার গত ১ বছর যাবত প্রবাসীর স্ত্রী সালমা বেগম (২৮) ও প্রবাসী আলেফ খা এর স্ত্রী ফিরোজা বেগম (৩৫) কর্তৃক রাতের আধারে জমির ফসল নষ্ট করে আসছে। তারা একই এলাকার বাসিন্দা এবং মাসুদ খন্দকারের সর্ম্পকে ফুফু হয়। বছরখানেক আগে মাসুদ তার ফুফু রহিমা বেগম সহ তাদের ওয়ারিশদের কাছ থেকে ৩০ শতাংশ জায়গা খরিদ করেন। উক্ত জায়গাতে কৃষি করতে গেলে সালমা বেগম ও তার সহযোগী ফিরোজা বেগম রাতের আঁধারে কৃষি জমি নষ্ট করে আসছে। গত ১৫ই এপ্রিল (বুধবার) রাতের শতাধিক চাল কুমড়া ও মিষ্টি কুমড়ার ফলন্ত চারা কেটে বিনষ্ট করা হয়েছে। এতে কৃষক মাসুদের প্রায় লক্ষাদিক টাকার ক্ষতি হয়। এর আগেও ১৭ জানুয়ারি সবজি বাগান কর্তন এর অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে প্রসিকিউশন প্রেরণ করা হয়েছিল। প্রায় তিন মাস আগে মাসুদ খন্দকার খিড়া ক্ষেত বিনষ্ট করার সময় মধ্যরাতে হাতেনাতে সালমা ও ফিরোজা বেগমকে আটক করা হয়। তৎক্ষণাৎ ৯৯৯ ফোন করলে বিজয়নগর থানার আউলিয়া বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এ এস আই জাকির হেসেন উপস্থিত হয়ে সত্যতা পেয়েও কোন আইনি প্রক্রিয়া অবলম্বন করেনি ।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মাসুদ খন্দকার অিভিযান টোয়েন্টিফোরকে জানান, আমি জিডি করে আদালতে মামলা করেছিলাম তার কোন উপকার পাইনি। দ্বিতীয়বার মধ্যরাতে সবজি গাছ নষ্ট করার সময় দুই নারীকে হাতেনাতে ধরার পরে পুলিশ এসেও কোন বিচার হয়নি। উল্টো ওই এসআই আমাকে ফাসানোর চেষ্টা করেছে। আমি কৃষির উপরে নির্ভর করে চলতে হয়। তারা কেন আমাকে এই অত্যাচার করছে আমি কোথাও বিচার পাচ্ছি না।
এ বিষয়ে বিজয়নগর থানায় যোগাযোগ করলে বিজয়নগর থানার অফিস ইনচার্জ বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার পরামর্শ দেন।
অভিযান টোয়েন্টিফোর, বিজয়নগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।