• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৮:০৭ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]

বিজয়নগরে রাস্তার বেহাল দশা, দেখার কেউ নেই

অভিযান ডেস্ক:   / ৭৮ Time View
Update : শনিবার, ২ মে, ২০২৬

মোঃ আলমগীর হোসাঈন , স্টাফ রিপোর্টার : 

বিজয়নগরে চান্দুরা থেকে মির্জাপুর পর্যন্ত রাস্তার বেহালদশা , আলমগীর হোসেনের পাঠা‌নো তথ‌্য চি‌ত্রে এবার বিস্তা‌রিত ।
ব্রাহ্মণবা‌ড়িয়ার বিজয়নগরে চান্দুরা থেকে চম্পকনগর পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে প্রায় চার কিলোমিটার রাস্তা যান চলাচলে অনুপযোগী । বিগত ৫ বছর যাবত সংস্কারের অভাবে বেহালদশার সৃষ্টি হয়েছে। এতে ছোট বড় খানা খন্দ আর গর্তে ভরা। চান্দুরা থেকে সিএনজি চা‌লিত অ‌টো রিক্সা ক‌রে উপজেলায় পৌঁছাতে অ‌নেক দু‌র্ভোগ পোহা‌তে হয় । এ‌তে ক‌রে গর্ভবতী ও রোগী সাধারণ নানা কষ্ট পোহা‌তে হয়। বিশেষ করে আমতলী বাজা‌রের দক্ষিণাংশে গ্রামীণ ব্যাংক সংলগ্নে রাস্তার মধ্যস্থলে বড় একটি ডুবায় পরিণত হয়েছে। প্রতিমুহূর্তে ছোট-বড় যানবাহন দুর্ঘটনায় স্বীকার হচ্ছে। উক্ত রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাফেরা করতে হচ্ছে শত শত পথচারী ও যানবাহন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২০২২ খ্রিঃ রাস্তা‌টি সংস্কার করা হয়েছিল । এর পর থেকে রাস্তাটি ভেঙ্গে গেলেও আর সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহন করা হয়নি। প্রতিদিন যাতায়াতকারী শামিম মিয়া বলেন, পথচারীরা জানান, রাস্তাটি ভেঙ্গে যাওয়ায় সাধারণ মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটির সংস্কার না করায় আস্তে আস্তে পুরো রাস্তা নষ্ট হয়ে গেছে।  ব্যবসায়ী বিল্লাল মিয়া জানান,গত কয়েকবছর যাবত রাস্তার বেহালদশার কারনে ব্যবসায়িক ভাবে ব্যপক ক্ষতির সম্মুখীন হ‌য়ে‌ছি ।পরিবহনের খরচ বাড়‌ছে । ঝুঁকির মাত্রা দিন দিন বাড়ছে।ব্যয় হচ্ছে সময়।  এ বিষয়ে বিজয়নগর উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ইন্সপেক্টর ওয়াসি আজাদ জানান, আগুনের ক্ষেত্রে প্রতিটি সেকেন্ড অতি গুরুত্বপূর্ণ। চম্পকনগর থেকে চান্দুরা প্রায় ৯ কিলোমিটার রাস্তা ভালো হলে ১০ থেকে ১৫ মিনিটে ভিতরে গঠনাস্থলে পৌঁছানো সম্ভব। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ মিনিটেও দুর্যোগ স্থানে পৌঁছানো সম্ভব হয়না। এতে করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যায়। এমনি করে চম্পকনগর থেকে সিঙ্গারবিল পর্যন্ত আমাদের পৌঁছানো একই অবস্থা।

এ বিষয়ে বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ ও‌সি এ কে ফজলুল হক জানান, সাধারণ মানুষের মতো আমরাও এই রাস্তার জন্য দুর্ভোগে আছি। তবে আমাদের পেশাগত কাজ করতে গিয়ে সমস‌্যা হচ্ছে। ইমারজেন্সি স্থানে সঠিক সময়ে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ছে।

বিজয়নগর উপজেলা প্রকৌশলী আশিকুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, এই রাস্তাটি বি স্ট্রং প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। কিছুদিনের ভিতরে প্রাককলন সদর দপ্তরে পাঠানো হবে। এরপরেও ইমারজেন্সির ক্ষেত্রে ইট ভাটার মালিকদের সাথে কথা হয়েছে কিছু গর্ত ভরাট করে দেওয়ার জন্য।

এ বিষয়ে বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সকিনা আক্তার অ‌ভিযান টো‌য়ে‌ন্টি‌ফোর ডট কম‌কে জানান, আমি উপজেলা প্রকৌশলীর কাছে জানিয়েছি ইমারজেন্সি ভাবে গর্তগুলা কোন একটি ব্যবস্থা করার জন্য।


More News Of This Category

You cannot copy content of this page