• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৬:৫৪ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ঘর উপহার প্রদান কসবায় বিএসএফের ছররা গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত, সীমান্তে উত্তেজনা। ‎ নিত্যপণ্যের বাজারে হিমসিম খাচ্ছে ভোক্তা বান্দরবান সাচিংপ্রু জেরী এমপি পাহাড়-নদীকেন্দ্রিক সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধারণ কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার উন্মোচিত করার লক্ষ্য যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন: নরসিংদী থেকে স্বামী গ্রেফতার। বাংলাদেশ টিআরসি পদে নিয়োগ, ফেব্রুয়ারি- ২০২৬ এর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ! নেত্রকোণায় শিশু ধর্ষণ অভিযোগ: আসামি নিয়ে বিতর্ক, নতুন মোড়ের ইঙ্গিত নেত্রকোণায় মাদরাসা ছাত্রী ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা: অভিযুক্ত সেই শিক্ষক গ্রেপ্তার শাপলা চত্বরসহ বিভিন্ন ঘটনার বিচার দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ বান্দরবানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বিজয়নগরে স্বাধীনতা দিবসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম না বলায় ইউএনওর বিরুদ্ধে বিএনপি ক্ষোভ

আব্দুল্লাহ আল হৃদয় / ২১৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম স্মরণ না করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদ ফাতেমার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ ফাতেমা।
জানা গেছে, অনুষ্ঠানের বক্তব্যে ইউএনও নাহিদ ফাতেমা স্বাধীনতার ইতিহাস ও বীর শহীদদের অবদানের কথা উল্লেখ করলেও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উচ্চারণ করেননি। বিষয়টি নজরে আসার পর থেকেই অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত এবং পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজয়নগর উপজেলা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা কড়া সমালোচনা শুরু করেন।
উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করে বলেন, “জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার অন্যতম ঘোষক এবং রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা। রাষ্ট্রীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ দিবসের অনুষ্ঠানে তার নাম বাদ দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক এবং এটি ইতিহাস বিকৃতির শামিল। সরকারি কর্মকর্তা হয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক চিন্তাধারার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন, যা কাম্য নয়।”
অনুরূপ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, “স্বাধীনতার ইতিহাসে জিয়াউর রহমানের অবদান অনস্বীকার্য। কুচকাওয়াজের মতো অনুষ্ঠানে যেখানে ছাত্র-জনতা উপস্থিত ছিল, সেখানে সঠিক ইতিহাস তুলে না ধরে তিনি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন।”
এই ঘটনায় উপজেলা বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা ইউএনও নাহিদ ফাতেমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রতিবাদী বক্তব্য দিচ্ছেন এবং এর নিন্দা জানাচ্ছেন। তাদের দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ড জাতীয় সংহতি ও নিরপেক্ষ প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করে।
এ রকম প্রতি‌ক্রিয়া সৃ‌ষ্টি হ‌লে ভারপ্রাপ্ত উপ‌জেলা নির্বাহী অ‌ফিসার না‌হিদ ফা‌তেমা অনুষ্ঠা‌নের সূ‌চি দ্রুত প‌রিবর্তন করে অনুষ্ঠান সমাপ্ত ক‌রেন।
তবে এ বিষয়ে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ ফাতেমার পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।


More News Of This Category

You cannot copy content of this page