মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল সকালে রামচন্দ্রপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের একটি বিদ্যালয় থেকে ছুটি শেষে বাড়ি ফেরার পথে মটকিরচর ঈদগাহ এলাকায় পৌঁছালে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম ও অজ্ঞাতনামা এক সিএনজি চালক জোরপূর্বক ওই শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরে তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে হোমনা উপজেলার কুটুমবাড়ী সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরো বলা হয়, ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর বিকেলে ভুক্তভোগী ছাত্রীকে বিদ্যালয়ের সামনে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরে বাড়িতে ফিরে শিক্ষার্থী তার মাকে পুরো ঘটনা জানায়।
ভুক্তভোগীর মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার স্বামী নেই। মেয়েটা স্কুলে গিয়ে জীবনের বড় ক্ষতি নিয়ে ফিরেছে। আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, আমরা নিরাপত্তাহীনতায় আছি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, মামলা তুলে নিতে তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বুধবার দুপুর থেকে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতনের এ ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন মহল।