• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০২ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
হবিগঞ্জ কালবৈশাখীর তাণ্ডব, বজ্রপাত ও ঝড়-তুফানে বিপর্যস্ত জনজীবন, ৩ জনের প্রাণহানী দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে হামলার সম্ভাব্য হুমকির ভিত্তি নেই : র‍্যাব মাধবপুরে ট্রেন দুর্ঘটনায় পুরাতন স্লিপার ও লাইনের ত্রুটি দুর্ঘটনার প্রধান কারণ জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত জগদীশপুর-তেমোনিয়া, দ্রুত সমাধান চান স্থানীয়রা কালবৈশাখী ঝড়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, টাওয়ার ভেঙে যোগাযোগ ব্যাহত মাধবপুরে শাহজালাল সরকারি কলেজে স্নাতক (সম্মান) চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা বিজয়নগ‌রে আমতলী বাজারে ব্যবসায়ীকে মারপিটের অভিযোগ বিজয়নগর উপজেলা সমিতি, ঢাকার উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও সম্মাননা কোম্পানীগঞ্জে  বিদেশে কর্মসংস্থানের নামে প্রতারণা রোধে কঠোর অবস্থানে সরকারের-মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী চা শ্রমিকদের ভিটা ভূমির  নিশ্চিত করার জোরালো দাবি  হবিগঞ্জ-৪  আসনের সাংসদের

মাধবপুরে ট্রেন দুর্ঘটনায় পুরাতন স্লিপার ও লাইনের ত্রুটি দুর্ঘটনার প্রধান কারণ

Reporter Name / ৮১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

হীরেশ ভট্টাচার্য হিরো :

ঢাকা সিলেট রেল লাইনে তেলবাহী ট্রেন দুর্ঘটনার প্রধান কারণ পুরাতন স্লিপার আর ত্রুটিযুক্ত রেল লাইনকেই শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও ট্রেনের কোচ ওয়াগনগুলো যথাযথ মানের ছিল না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক এ বি এম কামরুজ্জামানের কাছে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন এসব বিষয় ওঠে আসে।প্রতিবেদনে বলা হয়-তরল পদার্থ (তেল) পরিবহন অত্যন্ত সংবেদনশীল (সেনসিটিভ) পদার্থ। যা পরিবহনের জন্য ভালো মানের কোচ ব্যবহার করলে এ ধরনের দুর্ঘটনা হওয়ার সম্ভবনা কম থাকে। ভালোমানের কোচ আর স্লিপার এবং যুগোপযোগী রেল লাইন হলে নির্ধারিত ৪০ কিলোমিটার গতিসীমায় চলাচলকারী ট্রেন সাধারণত দুর্ঘটনায় পতিত হয় না।উল্লেখ্য, গত ১লা এপ্রিল বুধবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তেলবাহী ৯৫১ নম্বর ট্রেনটি হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা স্টেশন পার হয়ে দুর্ঘটনায় পতিত হয়। এতে ৫টি ওয়াগন ১টি গার্ডব্রেক লাইনচ্যুত হয়ে যায়। পদ্মা ওয়েল কোম্পানি লিমিটেডের চট্টগ্রাম থেকে ২ লাখ ৩৫ হাজার লিটার ডিজেল ভর্তি করে ওই, এরপর ট্রেনটি সিলেটে পৌছে দেওয়ার জন্য। পথিমধ্যে দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ায় ৪২ হাজার লিটার তেল ক্ষতি হয়ে গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর দীর্ঘ ১৯ ঘন্টায় ট্রেন উদ্ধার করে রেল লাইন স্বাভাবিক করা হয়েছিল।পরদিন ২ এপ্রিল ঢাকা বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করে দুর্ঘটনার কারণ শনাক্তে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। ওই কমিটিতে সদস্য হিসেবে ছিলেন- বিভাগীয় সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী, বিভাগীয় প্রকৌশলী-২, বিভাগীয় যন্ত্র প্রকৌশলী (কেরেজ), বিভাগীয় যন্ত্র প্রকৌশলী (লোকো)।তিন কার্যদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা থাকলেও নানা কারণে নির্ধারিত সময়ের বেশ কয়েকদিন পর এই প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বলে ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক জানিয়েছেন।


More News Of This Category

You cannot copy content of this page