ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগরে বাবার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। সূত্রে জানা যায়, উপজেলা সাতবর্গ মৌজায় বি,এস ৯৫১ দাগের ৩৩ শতক ভূমি বাবতে ৬১৯ নং বি,এস খতিয়ানের মালিক আব্দুল হাসিমের ছেলে সহিদ মিয়া ১৯৯৬ সালের ৩ জুন উপজেলার আব্দুল্লাহপুর গ্রামের আব্দুল বাছিরকে ক্রয় সূত্রে রেজিষ্ট্রিকৃত ১৩৮৮ নং সাফ কবলা দলিল সম্পাদান করেন।
আঃ বাছির উক্ত বি,এস ৯৫১ দাগের ৩৩ শতক এর অংশে ১১ শতক ভূমিতে মালিক দখলকার থাকা অবস্থায় স্ত্রী রাবেয়া চৌধুরী , শামসুন্নাহার বেগম ও ঝরনা বেগম নামে ২ কন্যা, কাউসার আহম্মেদ পাঠান, মুখছেদুল করিম , মোঃ সোহেল রানা এবং মোঃ আবু রাফি উদ্দিন আহম্মেদসহ ৪ পুত্র ওয়ারিশ বিদ্যমানে মৃত্যুবরন করেন।
সোহেল রানা ও আবু রাফি উদ্দিন বাবার মৃত্যুর পর উক্ত ভূমি মুখছেদুল করিমকে বঞ্চিত করার লক্ষ্যে অনত্র জায়গা বিক্রয়ের পায়তারা করেন এবং বাবার সৃজনকৃত একটি হেবা দলিল প্রদর্শন করেন। উক্ত দলিলে পরিবারের লোকজনের কোন স্বাক্ষর বা সম্মতি না থাকায় বিষয়টি সন্দেজনক হয়।
পরে মুখছেদুল করিম সুজহল রানা ও আবু রাফি উদ্দিনসহ আদালতে এজাহার দায়ের করেন। আদালত উক্ত ভূমিতে কোন পাকা নির্মান কাজ করতে না পারে তন্মর্মে,সোহেল রানা ও আবু রাফি উদ্দিন গং এর বিরুদ্ধে কারন দর্শানোর আদেশ সহ অফিসার ইনচার্জ বিজয়নগর থানা কে উভয় পক্ষের মধ্যে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দাঙ্গা হাঙ্গামা যেন না হয় সে মর্মে ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশনা প্রদান করেন। যার নং পি-১২০২/২০২৫ মোকামঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত যেখানে ১৪৪/১৪৫ ধারা জারি করেন সোহেল রানা ও আবু রাফি উদ্দিন গং বিরুদ্ধে।
তফসিল ও চৌহুদ্দী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলাধীন, মৌজে- সাতবর্গস্থিত বি,এস খতিয়ান নং- ৩৬১৪, বি,এস ৯৫১ দাগের ৩৩ শতকের আন্দরে ১১ শতক নাল ভূমি যাহার উত্তরে- সড়ক, দক্ষিণে- হাজী আব্দুল হামিদ মিয়া, পূর্বে- তাজুল ইসলাম এবং পশ্চিমে- প্রদীপ চন্দ্র পাল গং।
এ বিষয়ে বিষয়ে সোহেল রানা গং নিকট জানতে চাইলে, তিনি অভিযান টেয়েন্টিফর ডট কমকে জানান, আমরা আদালতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাব। যা হবার আদালতেই হবে