ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলীকে মারার জন্য বাঁশ নিয়ে তাড়া করার ঘটনায় দুজনের নাম উল্লেখ করে নবীনগর থানায় মামলা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাতে ভুক্তভোগী উপসহকারী প্রকৌশলী মির্জা মো. তরিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। প্রকৌশলী মির্জা মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘কাজের মান নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ঠিকাদার ও তার লোকজন আমাকে মারার জন্য তাড়া করে। আমি কোনোরকমে দৌঁড়ে গিয়ে রক্ষা পাই। আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ন্যায়বিচার পাবার আশায় নবীনগর থানায় মামলা করেছি।’
অভিযুক্ত ঠিকাদার লোকমান হোসেনের মোবাইল বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নবীনগর থানার ওসি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, মামলায় ঠিকাদার লোকমান হোসেন ও তার গাড়িচালক বিল্লাল হোসেনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া পাঁচ-ছয়জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চলমান রয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে নবীনগর উপজেলার শিবপুর থেকে মেরকুটা পর্যন্ত সড়কে রিটেইনিং ওয়ালের নির্মাণকাজ চলছে। এ কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স লোকমান এন্টারপ্রাইজ। নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন স্থানীয়রা। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার দুপুরে কাজের মান তদারকিতে গিয়ে সত্যতা পান উপসহকারী প্রকৌশলী মির্জা মো. তরিকুল ইসলাম। এ সময় কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মেজাজ হারিয়ে প্রকৌশলী তরিকুলকে মারার জন্য বাঁশ নিয়ে তাড়া করেন ঠিকাদার লোকমান ও তার লোকজন। এ ঘটনার ১৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। মামলা প্রকৌশলী ঠিকাদার ধাওয়া