বিজয়নগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের সাথে তাল মিলিয়ে সবজির দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে হতাশায় ভোগছেন ভোক্তারা। এখানে সিন্ডিকেটের অবৈধ কারবার চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কার্যকরী তেমন কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ক্ষোভ প্রকাশ করে বেশ কয়েকজন ভোক্তা বলেন, সকাল-বিকাল তারা সবজির দাম বৃদ্ধি করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিক্রি করছেন। আর চড়া দামে কাঁচা তরিতরকারি কিনতে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে সাধারণ ত্রেতাদের। অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলার আশপাশের এলাকায় মৌসুমী কাঁচামালের উৎপাদন তেমন নেই। আর চাহিদার তুলনায় উৎপাদন না থাকায় নিত্যপণ্যের কাঁচাবাজারকে ঘিরে গড়ে উঠেছে সিন্ডিকেট চক্র। নরসিংদী ও হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এ উপজেলায় আসে কাঁচামালের তরিতরকারি। এতে নানা প্রভাব বিস্তার ও কারসজি করে কাঁচামাল ও তরিতরকারির বাজার নিয়ন্ত্রনে নেয় স্থানীয় সিন্ডিকেট চক্র। শনিবার (২১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার আমতলী বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন প্রতি কেজি ১২০ টাকা, পেপে ৫০, শসা ৯০, আলু ৫০, সিম ২২০, পটল ১০০, করলা ৮০, কাকরোল ১০০, ঝিঙ্গা ১০০, বরবটি ১০০, কাচকলা প্রতি হালি ৮০, কাঁচা মরিচ ২৫০ টাকা কেজি এবং প্রতি পিচ লাউ ৮০ থেকে ১০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। সাধ্যের মধ্যে না থাকায় ক্রেতারা বিমুখ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। স্বল্প দূরত্বে অন্য কোন বাজার না থাকায় ক্রেতারা শত কষ্টে অল্প বাজার করছে। আমতলী বাজারে সবজি কিনতে আসা নানু মিয়া, মফিজ মিয়া ও সাথী আক্তারের সাথে কথা বলে জানা যায়, বাজার সহনীয় অবস্থা না থাকায় কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। সকাল বিকাল দাম ওঠা-নামা করছে। সরবরাহ থাকলেও দাম কমে না।
সবজি বিক্রেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, শীতের সবজি বাজারে না আসায় তুলানামূলক দাম একটু বেশি।
এ বিষয়ে বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ অভিযান২৪ ডট কমকে জানান, নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। ক্রেতা ও বিক্রেতার মূল্য তালিকায় অসঙ্গতি থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সবজির উৎপাদন কম বলে দাবি করছেন আড়তদাররা।