• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
মাধবপুরে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ দূর্গাপুরে বড় ভাইয়ের বারান্দায় ছোট ভাইয়ের ঝুলন্ত লাশ চা শ্রমিকদের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোণায় জামায়েত নেতা কারাগারে থানচিতে পাহাড়ি কৃষকদের মাঝে ফলদ চারা, আদা ও সবজি বীজ বিতরণ ১০ হাজার টাকায় সীমান্ত পারের চেষ্টা, বিজিবির হাতে আটক তিনজন স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে নেত্রকোণায় মানববন্ধন হেলমেট ব্যবহার নিশ্চিত করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রাফিক বিভাগের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ আলেম ও যুব সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগেই সম্ভব মাদকমুক্ত সমাজ গঠন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কর্মশালা

থানচিতে পাহাড়ি কৃষকদের মাঝে ফলদ চারা, আদা ও সবজি বীজ বিতরণ

অভিযান ডেস্ক / ৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬

অনুপম মারমা,বান্দরবান প্রতিনিধি :

বান্দরবানের থানচি উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কৃষকদের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জীবিকায়ন উন্নয়নের লক্ষ্যে ফলদ চারা, আদা ও বিভিন্ন ধরনের বীজ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলার বলীপাড়া নারী কল্যাণ সমিতি (BNKS) কার্যালয় প্রাঙ্গণে এ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

Partnership for Resilient Livelihoods in CHT Region (PRLC) প্রকল্পের আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন-এর সহায়তায় এবং বলীপাড়া নারী কল্যাণ সমিতি (BNKS)-এর বাস্তবায়নে এই আয়োজন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি বিভাগের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা উক্তম মারমা, থানচি প্রেস ক্লাব-এর সভাপতি মংবোওয়াংচিং মারমা, পিআরএলসি প্রকল্পের সমন্বয়কারী পেশল চাকমা এবং টেকনিক্যাল অফিসার হ্লাগ্যউ মারমা।

বিতরণ কার্যক্রমে থানচি উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের প্রকল্পভুক্ত উপকারভোগীদের মধ্যে ১ হাজার ৭৬৯ পরিবারকে ৭৫০ গ্রাম করে আদা বীজ, ৩৮৪ পরিবারকে ৪ ধরনের সবজি বীজ, ৪৫৫ পরিবারকে ১২টি করে মরিচ চারা, ৪৬০ পরিবারকে বারি-৪ জাতের (বারোমাসি) ২টি করে কাঁঠাল চারা বিতরণ করা হয়। এছাড়া মা ও শিশু দলের ৩২০ পরিবারকে ১৬ ধরনের বারোমাসি সবজি বীজ ও ২টি করে মুরগির বাচ্চা দেওয়া হয়। পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন কৃষি উপকরণও বিতরণ করা হয়।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পাহাড়ি এলাকার কৃষকদের স্বাবলম্বী করে তোলা এবং টেকসই কৃষি উৎপাদন নিশ্চিত করতে এ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কৃষকরা পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অতিরিক্ত উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত করে আয় বাড়াতে সক্ষম হবেন।

অতিথিরা বলেন, পাহাড়ের অনাবাদি জমিকে কাজে লাগিয়ে ফলদ, সবজি ও মসলা জাতীয় ফসল চাষের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব। একই সঙ্গে কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করানো এবং নিয়মিত সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ সময় প্রকল্পের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপকারভোগী কৃষকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

 

 


More News Of This Category

You cannot copy content of this page