• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে পূর্ব শত্রুতার জেড়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ; বিজয়নগরে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগে বিল্লাল মেম্বারের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা বয়লার পরিচালকদের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর সনদ বাতিলের চক্রান্ত: মিরপুরে মানববন্ধনে রক্তক্ষয়ী হামলা, আহত একাধিক নাসিরনগরে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষ নাভিশ্বাস দুই বছরেও সংস্কার হয়নি। শাবিপ্রবির ‘চেতনা ৭১ বিজয়নগরে ‘দিশা’ এনজিওর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি ভবনের ছাদে সোলার স্থাপনে দপ্তর প্রধানদের নিয়ে মতবিনিময় বিএনপি সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাসী: এস এম ফয়সল পত্তন ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী মুফতি রহমত উল্লাহ কাসেমী চুনারুঘাট সীমান্তে ১৩০ বোতল ভারতীয় মদ ও ৮২ কেজি রসুন জব্দ

মাধবপুরে ৪৫ পদে কর্মরত ২০, ব্যাহত চিকিৎসা সেবা

অভিযান ডেস্ক / ১৭৩ Time View
Update : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

হীরেশ ভট্টাচার্য হিরো, স্টাফ রিপোর্টার : 

চিকিৎসক সংকটে ব্যাহত হচ্ছে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবা। ৪৫টি অনুমোদিত পদ থাকলেও কর্মরত কেবল ২০ জন। দীর্ঘদিন ধরে শূন্য অ্যানেস্থেসিয়া, অর্থোপেডিক সার্জনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কনসালটেন্টের পদ। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগীরা।
৫০ শয্যার এই হাসপাতালে আসা নাম প্রকাশে অনাগ্রহী এক রোগীর ক্ষোভ, ‘এখানে শুধু বড় বড় পদের নাম আছে। ডাক্তাররা প্রমোশন নিয়ে আসেন, আবার কিছুদিন পর সুবিধামতো অন্য হাসপাতালে চলে যান।’
হাসপাতালসূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জুনিয়র কনসালটেন্ট (অ্যানেস্থেসিয়া) হিসেবে যোগ দেন এ এস এম রায়হানুল হক। আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী প্রয়াত ছায়েদুল হকের ছেলে তিনি।
যোগদানের দিন একই আদেশে রায়হানুলকে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সংযুক্তি দেওয়া হয়। এরপর থেকে মাধবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসকের পদটি কাগজে পূর্ণ থাকলেও বাস্তবে শূন্য।
অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসকের দায়িত্ব পালনের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল থেকে আবুল কাশেম আরিফ ইফতেখার এবং নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সুদীপ চৌধুরীকে প্রেষণে আনা হয়েছে।
জুনিয়র কনসালটেন্ট (অর্থোপেডিক সার্জারি) মির্জা ওমর বেগ ২০২২ সালের ৮ ডিসেম্বর থেকে সিলেট কুষ্ঠ হাসপাতাল-এ প্রেষণে। আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) তারেকউজ্জামান গত এপ্রিল মাসে হয়েছেন বদলি। হাসপাতালটিতে ২৫টি পদ এমন নানা কারণে শূণ্য দীর্ঘদিন।
সম্প্রতি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গিয়ে কথা হয় কয়েক রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে। সাহেদ আলী নামে এক স্বজনের অভিযোগ, ‘জরুরি বিভাগেও অনেক সময় ডাক্তার থাকেন না। শুধু ডাক্তার সংকট নয়, ওষুধও পাওয়া যায় না। নানা সমস্যা নিয়ে চলছে হাসপাতালটি।’
প্রায়ই অনুপস্থিত থাকেন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক- বললেন আব্দুস ছালাম নামে আরেক স্বজন।
সেদিন জরুরি বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন চিকিৎসক আলী আহম্মদ। তার বদলে সেখানে পাওয়া গেল উপ-কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন। তিনি আগামীর সময়কে বললেন, ‘প্রতিদিন অন্তত ১২০ থেকে ১৪০ জন রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। গুরুতর রোগীদের ভর্তি করা হচ্ছে।’
দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকের অনুপস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, নামাজ পড়তে বাসায় গেছেন ডা. আলী আহম্মদ।
উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ বলেছেন, ‘চিকিৎসক সংকট এখন মারাত্মক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে অবস্থিত হওয়ায় বিভিন্ন দুর্ঘটনার কারণে এখানে প্রতিনিয়ত রোগীর চাপ থাকে। তাই দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণ করা জরুরি।’
জরুরী বিভাগের চিকিৎসকের বিভিন্ন সময় অনুপস্থিতির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে বলে জানালেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক মোহাম্মদ ইমরুল হাসান।
হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন রত্নদীপ বিশ্বাস মাসিক সূর্য শপথ কে বলেছেন, ‘অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক রায়হানুল হকসহ অন্য চিকিৎসকদের সংযুক্তি ও প্রেষণ আদেশ বাতিল এবং শূন্য পদ পূরণের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’


More News Of This Category

You cannot copy content of this page