• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৯ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
মহাখালী-কিশোরগঞ্জ মালিক দ্বন্দ্ব: ৪ কোম্পানির বাস চলাচল বন্ধ, ‘অনন্যা সুপারে’ পকেট কাটা যাচ্ছে যাত্রীদের, রেলওয়ে স্টেশনে উপচে পড়া ভিড় নিখোঁজের ৪ দিন পর পুকুরে ভাসছিল হাত-পা বাঁধা গৃহবধূর মরদেহ, স্বামী পলাতক! সাংবাদিক আলিফ হত্যায় শুটার শামীমের ভাগিনা গ্রেফতার “মাহফিলের আলো থেকে অন্ধকারের বিল: সরাইলের বাড়িউড়ায় কিশোরীর আর্তনাদ, পাষণ্ডদের থাবায় ছিন্নভিন্ন শৈশব” গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে পূর্ব শত্রুতার জেড়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ; বিজয়নগরে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগে বিল্লাল মেম্বারের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা বয়লার পরিচালকদের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর সনদ বাতিলের চক্রান্ত: মিরপুরে মানববন্ধনে রক্তক্ষয়ী হামলা, আহত একাধিক নাসিরনগরে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষ নাভিশ্বাস দুই বছরেও সংস্কার হয়নি। শাবিপ্রবির ‘চেতনা ৭১ বিজয়নগরে ‘দিশা’ এনজিওর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ

“মাহফিলের আলো থেকে অন্ধকারের বিল: সরাইলের বাড়িউড়ায় কিশোরীর আর্তনাদ, পাষণ্ডদের থাবায় ছিন্নভিন্ন শৈশব”

অভিযান ডেস্ক / ১০ Time View
Update : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

জাহাঙ্গীর আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধিঃ 
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার বাড়িউড়ায় ওয়াজ মাহফিলে যাওয়ার পথে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে কৌশলে অপহরণ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছয়জনকে আসামি করে সরাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। বর্বরোচিত এই ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ, উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পারিবারিক ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বাড়িউড়া সিরাজুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসার মাঠের কাছ থেকে এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার দিন রাতে স্থানীয় একটি ওয়াজ মাহফিলে যাওয়ার পথে ওই কিশোরীকে মাদ্রাসার মাঠ থেকে কৌশলে রাস্তার পাশে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তার মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক একটি অটোরিকশায় তুলে নেয় অভিযুক্তরা। সেখান থেকে কিশোরীকে বাড়িউড়া ও ইসলামাবাদ সড়কের মধ্যবর্তী একটি নির্জন বিলের পাশে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ছয়জন মিলে পালাক্রমে একাধিকবার ধর্ষণ করে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্যাতনের একপর্যায়ে কিশোরী অচেতন হয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তার মুখে পানি দিয়ে কিছুটা সুস্থ করে। এরপর রাত আনুমানিক ১১টার দিকে অভিযুক্ত আল-আমিন ওরফে জিকিরি নামের একজন অটোরিকশায় করে কিশোরীকে তার বাড়ির সামনে নামিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় ঘটনাটি কাউকে জানালে কিশোরী ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। ভয়ে ও অপমানে কিশোরী বিষয়টি প্রথমে গোপন রাখলেও গত ১৫ অক্টোবর পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি জানতে পারেন। এরপর তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে, ঘটনাটি জানাজানির পর থেকে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে ভুক্তভোগীর পরিবারকে লাগাতার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আইনি পদক্ষেপ থেকে বিরত রাখতে এবং বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার জন্য পরিবারটিকে নানাভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে গত ১৭ অক্টোবর (শনিবার) রাতে সরাইল থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযুক্ত আসামিরা হলেন— [

  • জাকির মিয়া (৩৩)
  • নাঈম হোসেন (২৪)
  • সোহাগ মিয়া (২১)
  • মোখলেছ (৫২)
  • বাহার মিয়া (২২) ও
  • আল-আমিন ওরফে জিকিরি (৪০)।

সরাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জহিরুল ইসলাম তালুকদার জানান, ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পরপরই দ্রুত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং ইতিমধ্যে একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


More News Of This Category

You cannot copy content of this page