• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে নেত্রকোণায় মানববন্ধন হেলমেট ব্যবহার নিশ্চিত করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রাফিক বিভাগের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ আলেম ও যুব সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগেই সম্ভব মাদকমুক্ত সমাজ গঠন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কর্মশালা মাধবপুরে শাহজালাল সরকারি কলেজে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী-কে বরণের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরা মাদকের সঙ্গে আপস নয়। মাধবপুরে এমপি ফয়সল দুর্যোগ ঝুঁকি মানচিত্র অঙ্কন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসকের কসবা উপজেলা পরিদর্শন: নাগরিক সেবা, আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে গুরুত্বারোপ  সিলেটবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

দুর্যোগ ঝুঁকি মানচিত্র অঙ্কন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন অনুষ্ঠিত

Reporter Name / ৩ Time View
Update : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

অনুপম মারমা, বান্দরবান প্রতিনিধি : 

দুর্গম পাহাড়ি উপজেলা বান্দরবানের থানচি বর্তমান সময়ের প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বিশেষ করে পাহাড় ধস, অতিবৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা, যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা এবং খাদ্য সংকট মোকাবিলায় করণীয় বিষয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুর্যোগ ঝুঁকি মানচিত্র অঙ্কন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়নের সোমবার ১৬ জুন হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন হল রুমে কারিতাস বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম অঞ্চলের পিএইপি-৩ প্রকল্পের আওতায় এ কর্মশালার আয়োজন করেন।

থানচি উপজেলার কারিতাসের পিএইপি-৩ প্রকল্পের মাঠ সহায়ক পংমে মারমা সঞ্চালনায় মাঠ সহায়ক ছাইন থোয়াই গ্য চাক সভাপতিত্বে থানচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অংপ্রু ম্রো প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মশালা শুভ উদ্বোধন করেন।

পিএইপি – ৩ প্রকল্পে চট্টগ্রাম অঞ্চলের টেকনিক্যাল অফিসার

আনোয়ার হোসেন কর্মশালা প্রধান আলোচক ও প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপজেলার প্রেস ক্লাবের সভাপতি মংবোওয়াংচিং মারমাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

Risk Mapping and Support for Community Disaster Management Plan” শীর্ষক এ কর্মশালায় উপজেলার থানচি সদর ও বলীপাড়া ইউনিয়নের ওয়ার্ড পর্যায়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যবৃন্দ ও স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধিরা স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহণ করেন।

অংশগ্রহণকারীরা পাহাড়ি অঞ্চলের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরে সরকারের নিকট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। সভায় সরকারের কাছে যে করণীয়গুলো গুরুত্বসহকারে তুলে ধরা হয়।

পাহাড় ধসপ্রবণ এলাকাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা জোরদার করা। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ ও নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও সেতু দ্রুত সংস্কারের জন্য বিশেষ থোক বরাদ্দ প্রদান করা।

প্রত্যন্ত জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও জরুরি চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে অস্থায়ী সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করা। মোবাইল নেটওয়ার্ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করে জরুরি তথ্য দ্রুত পৌঁছানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

স্থানীয় জনগণকে দুর্যোগ মোকাবিলা বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করা ইত্যাদি।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলের ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের কারণে এখানকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সমতলের তুলনায় ভিন্ন ও বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি। সরকারের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে পাহাড়ের মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি। এছাড়াও প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, আগাম প্রস্তুতি এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

আয়োজকরা জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে থানচি উপজেলার দুর্গম এলাকার জনগণকে দুর্যোগ মোকাবিলায় আরও সচেতন ও প্রস্তুত করে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য।

 

 


More News Of This Category

You cannot copy content of this page