• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
গাছের চারার সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ল পরিবেশ সচেতনতা ও পারস্পরিক আস্থার বন্ধন প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের সাথে অভিযান-এর হেলথ কার্ডের চুক্তি মাধবপুরে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ দূর্গাপুরে বড় ভাইয়ের বারান্দায় ছোট ভাইয়ের ঝুলন্ত লাশ চা শ্রমিকদের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোণায় জামায়েত নেতা কারাগারে থানচিতে পাহাড়ি কৃষকদের মাঝে ফলদ চারা, আদা ও সবজি বীজ বিতরণ ১০ হাজার টাকায় সীমান্ত পারের চেষ্টা, বিজিবির হাতে আটক তিনজন স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে নেত্রকোণায় মানববন্ধন

 সিলেটবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

অভিযান ডেস্ক / ৭০ Time View
Update : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

 শুভ্র ভট্টাচার্য সিলেট প্রতিনিধি : সিলেট মহানগরের চৌহাট্টা এলাকায় প্রায় ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ২৫০ শয্যার হাসপাতালটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন হয়েছে। তথ্যটি নিজ ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।তিনি সোমবার (১৫ জুন) বিকাল পৌনে ৬টার দিকে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেন- ‘আলহামদুলিল্লাহ, আজ সিলেটে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষ আধুনিক চিকিৎসা সেবার অধিকতর সুযোগ পাবে।সিলেটবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে এই উদ্যোগের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।সিলেটের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক।’উল্লেখ্য, হাসপাতালটির নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০২৩ সালে। এর আগে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রায় ৪ বছরে কাজ শেষ হলেও বিভিন্ন জটিলতায় এতদিন এটি চালু করা যায়নি। গত ২ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেট সফরে এসে দ্রুততম সময়ে হাসপাতালটি চালুর আশ্বাস দিয়েছিলেন।সম্প্রতি কয়েক দফা সিলেট সফরে এসে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরও এই হাসপাতাল চালুর আশ্বাস দেন। এক বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, শত কোটি টাকা ব্যয়ে হাসপাতালটি নির্মাণ করা হলেও এটি কেন নির্মিত হয়েছে কেউ জানে না। স্বাস্থ্যসংশ্লিস্ট কোন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা না করেই এই স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। আমি সংশ্লিস্টদের সাথে আলাপ করে এটি চালুর ব্যবস্থা করবো।হাসপাতাল ভবনের বেসমেন্টে রয়েছে কার পার্কিং; প্রথম তলায় টিকিট কাউন্টার, ওয়েটিং রুম; দ্বিতীয় তলায় আউটডোর, রিপোর্ট ডেলিভারি ও কনসালট্যান্ট চেম্বার; তৃতীয় তলায় ডায়াগনস্টিক; চতুর্থ তলায় কার্ডিয়াক ও জেনারেল ওটি, আইসিসিইউ, সিসিইউ; পঞ্চম তলায় গাইনি বিভাগ, অপথালমোলজি, অর্থোপেডিক্স ও ইএনটি বিভাগ এবং ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম তলায় ওয়ার্ড ও কেবিন। এর মধ্যে আইসিইউ বেড ১৯টি, সিসিইউ বেড ৯টি এবং ৪০টি কেবিন রয়েছে।


More News Of This Category

You cannot copy content of this page