• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
মাধবপুরে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ দূর্গাপুরে বড় ভাইয়ের বারান্দায় ছোট ভাইয়ের ঝুলন্ত লাশ চা শ্রমিকদের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোণায় জামায়েত নেতা কারাগারে থানচিতে পাহাড়ি কৃষকদের মাঝে ফলদ চারা, আদা ও সবজি বীজ বিতরণ ১০ হাজার টাকায় সীমান্ত পারের চেষ্টা, বিজিবির হাতে আটক তিনজন স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে নেত্রকোণায় মানববন্ধন হেলমেট ব্যবহার নিশ্চিত করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রাফিক বিভাগের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ আলেম ও যুব সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগেই সম্ভব মাদকমুক্ত সমাজ গঠন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কর্মশালা

নববর্ষে শান্তি ও সম্প্রীতির প্রত্যাশায়

Reporter Name / ৭৪০ Time View
Update : রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২২

প্রতিটি নতুন বছর সামনে রেখে আমরা প্রত্যাশা করি- মঙ্গলালোকে ভরে যাবে আমাদের ধরণী। কিন্তু জটিল সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতায় সবসময় সে প্রত্যাশা পূরণ হয় না। সমাজে সক্রিয় যে সাম্প্রদায়িক, উগ্র ধর্মীয় গোষ্ঠী অশুভ চিন্তা ছড়িয়ে দিয়ে এ দেশের শান্তি ও সম্প্রীতির আবহ নষ্ট করে দিতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐতিহাসিকভাবে অসাম্প্রদায়িক বাঙালি জনগোষ্ঠীর ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই।

অনেকে বাংলা নববর্ষকে হিন্দুদের উৎসব রূপে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তাদের সবিনয় জানাতে চাই মোঘল সম্রাট আকবর তার রাজত্ব বাংলা নববর্ষের সূচনা করেছিলেন। মোঘল রাজত্বে ইসলামিক হিজরী ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সব ব্যবসা বাণিজ্য, কর আদায় এবং রাজকার্য পরিচালনা হতো। হিজরী বছর হলো চন্দ্র মাস ধরে তৈরী হয় ক্যালেন্ডার। এতে কর আদায়ে বিড়াট সমস্যায় পড়ে মোঘলরা। বাংলা নববর্ষ পালনের মূলে আছে কৃষি। আগে বছর গণনার ভিত্তি ছিল চন্দ্রকলা। পরে ফসল বোনা ও কাটা বা কৃষির কারণে চন্দ্র, সূর্য বা চন্দ্রসৌর বছরভিত্তিক গণনা শুরু হয়। মূলত কর আদায় সহজ করার জন্য প্রবর্তন হয় বাংলা নববর্ষ। সেসময়ে আমাদের বাঙালি পরিবারের বাচ্চাদের কাছে নববর্ষ মানে ছিলো নতুন জামা আর লোভনীয় খাবার। তবে দিনে দিনে নববর্ষ বা ১লা বৈশাখে আবেগ আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির কাছাকাছি এনে দেয়। এখানকার নববর্ষের অনুষ্ঠান উৎসবাদি ধর্মের প্রভাবে প্রভাবিত নয়। কারণ কোনো ধর্মেরই প্রভাব নববর্ষের অনুষ্ঠান ও উৎসবে দেখা যায় না। আজ বৈশাখের প্রথম দিনে সকলের কাছে অনুরোধ করি দয়া করে কেউ বাংলা নববর্ষকে হিন্দুয়ানি উৎসব বলবেন না। বোধকরি একমাত্র বাঙালি সংস্কৃতির দুশমনরাই বাংলা নববর্ষকে হিন্দুয়ানি উৎসব রূপে প্রচার করতে চায়।

 

পিচ এন্ড হারমনি ট্রাস্টের পক্ষ থেকে আমরা  প্রত্যাশা করি, সামাজিক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে নবর্ষের মতোই আনন্দে, উৎসবে রঙিন হবে বাংলাদেশের আগামী দিনগুলো। আগমনে শান্তি ও সদ্ভাব সর্বত্র প্রসারিত হয়ে আমাদের চারদিক মঙ্গলালোকে ভরে উঠুক। শুভ নববর্ষ!

 

ট্রাস্টি , পিচ এন্ড হারমোনি ট্রাস্ট


More News Of This Category

You cannot copy content of this page