• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
মাধবপুরে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ দূর্গাপুরে বড় ভাইয়ের বারান্দায় ছোট ভাইয়ের ঝুলন্ত লাশ চা শ্রমিকদের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোণায় জামায়েত নেতা কারাগারে থানচিতে পাহাড়ি কৃষকদের মাঝে ফলদ চারা, আদা ও সবজি বীজ বিতরণ ১০ হাজার টাকায় সীমান্ত পারের চেষ্টা, বিজিবির হাতে আটক তিনজন স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে নেত্রকোণায় মানববন্ধন হেলমেট ব্যবহার নিশ্চিত করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রাফিক বিভাগের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ আলেম ও যুব সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগেই সম্ভব মাদকমুক্ত সমাজ গঠন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কর্মশালা

মাধবপুরে ট্রেন দুর্ঘটনায় পুরাতন স্লিপার ও লাইনের ত্রুটি দুর্ঘটনার প্রধান কারণ

Reporter Name / ২৪০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

হীরেশ ভট্টাচার্য হিরো :

ঢাকা সিলেট রেল লাইনে তেলবাহী ট্রেন দুর্ঘটনার প্রধান কারণ পুরাতন স্লিপার আর ত্রুটিযুক্ত রেল লাইনকেই শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও ট্রেনের কোচ ওয়াগনগুলো যথাযথ মানের ছিল না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক এ বি এম কামরুজ্জামানের কাছে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন এসব বিষয় ওঠে আসে।প্রতিবেদনে বলা হয়-তরল পদার্থ (তেল) পরিবহন অত্যন্ত সংবেদনশীল (সেনসিটিভ) পদার্থ। যা পরিবহনের জন্য ভালো মানের কোচ ব্যবহার করলে এ ধরনের দুর্ঘটনা হওয়ার সম্ভবনা কম থাকে। ভালোমানের কোচ আর স্লিপার এবং যুগোপযোগী রেল লাইন হলে নির্ধারিত ৪০ কিলোমিটার গতিসীমায় চলাচলকারী ট্রেন সাধারণত দুর্ঘটনায় পতিত হয় না।উল্লেখ্য, গত ১লা এপ্রিল বুধবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তেলবাহী ৯৫১ নম্বর ট্রেনটি হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা স্টেশন পার হয়ে দুর্ঘটনায় পতিত হয়। এতে ৫টি ওয়াগন ১টি গার্ডব্রেক লাইনচ্যুত হয়ে যায়। পদ্মা ওয়েল কোম্পানি লিমিটেডের চট্টগ্রাম থেকে ২ লাখ ৩৫ হাজার লিটার ডিজেল ভর্তি করে ওই, এরপর ট্রেনটি সিলেটে পৌছে দেওয়ার জন্য। পথিমধ্যে দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ায় ৪২ হাজার লিটার তেল ক্ষতি হয়ে গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর দীর্ঘ ১৯ ঘন্টায় ট্রেন উদ্ধার করে রেল লাইন স্বাভাবিক করা হয়েছিল।পরদিন ২ এপ্রিল ঢাকা বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করে দুর্ঘটনার কারণ শনাক্তে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। ওই কমিটিতে সদস্য হিসেবে ছিলেন- বিভাগীয় সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী, বিভাগীয় প্রকৌশলী-২, বিভাগীয় যন্ত্র প্রকৌশলী (কেরেজ), বিভাগীয় যন্ত্র প্রকৌশলী (লোকো)।তিন কার্যদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা থাকলেও নানা কারণে নির্ধারিত সময়ের বেশ কয়েকদিন পর এই প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বলে ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক জানিয়েছেন।


More News Of This Category

You cannot copy content of this page