• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
গাছের চারার সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ল পরিবেশ সচেতনতা ও পারস্পরিক আস্থার বন্ধন প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের সাথে অভিযান-এর হেলথ কার্ডের চুক্তি মাধবপুরে কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ দূর্গাপুরে বড় ভাইয়ের বারান্দায় ছোট ভাইয়ের ঝুলন্ত লাশ চা শ্রমিকদের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোণায় জামায়েত নেতা কারাগারে থানচিতে পাহাড়ি কৃষকদের মাঝে ফলদ চারা, আদা ও সবজি বীজ বিতরণ ১০ হাজার টাকায় সীমান্ত পারের চেষ্টা, বিজিবির হাতে আটক তিনজন স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে নেত্রকোণায় মানববন্ধন

হবিগঞ্জে পানি বেড়ে যাওয়ায় কৃষকরা ধান নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, তলিয়ে গেছে হেক্টর জমির ধান

অভিযান ডেস্ক:   / ১৫১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

হীরেশ ভট্টাচার্য হিরো, স্টাফরির্পোটার:

হবিগঞ্জের বিস্তীর্ণ হাওরাঞ্চলে টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। গত কয়েক দিনের অবিরাম বর্ষণ ও দমকা হাওয়ায় হাওরের বিশাল এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বছরের একমাত্র বোরো ফসল হারিয়ে চরম সংকটের মুখে পড়েছেন জেলার হাজার হাজার কৃষক। বুধবার বিকালে বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুরের দত্তগাঁও অংশে খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে ও উপচে পানি হাওরে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। মুহূর্তের মধ্যে শত শত একর ফসলি জমি প্লাবিত হয়।জেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক জানান, ভারি বর্ষণের ফলে ইতোমধ্যে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর ধানি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। হাওরে এখনো প্রায় ৩০ শতাংশ ধান কাটতে বাকি রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আবহাওয়ার উন্নতি না হলে অবশিষ্ট ধানটুকুও সম্পূর্ণ তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ছায়েদুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হবিগঞ্জে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।সরেজমিনে বানিয়াচং, আজমিরীগঞ্জ ও লাখাই উপজেলার বিভিন্ন হাওর ঘুরে দেখা গেছে এক করুণ দৃশ্য। আকস্মিকভাবে পানি বেড়ে যাওয়ায় কৃষকরা কোমরসমান এমনকি বুকসমান পানিতে নেমে ধান কাটছেন। ছোট নৌকা ব্যবহার করে কাটা ধান নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। অনেক জায়গায় বাতাসের তীব্রতায় ধান গাছ মাটিতে লুটিয়ে পড়ায় ফসল সংগ্রহ করতে অতিরিক্ত শ্রম ও সময় লাগছে। পানিতে দীর্ঘ সময় কাজ করায় অনেক কৃষক চর্মরোগসহ নানা শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন।ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, কৃষি বিভাগ থেকে যে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল তা ছিল অত্যন্ত স্বল্প সময়ের। হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় তারা প্রস্তুতির সুযোগ পাননি। এছাড়া বৃষ্টির কারণে কেটে রাখা ধান পচে যাওয়ারও ব্যাপক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিচু এলাকার ধান দ্রুত কাটার জন্য কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে শ্রমিক সংকট ও ধান শুকানোর জায়গা না থাকায় কৃষকরা ফসল ঘরে তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন। হবিগঞ্জের হাওরাঞ্চলে চলমান এই দুর্যোগ কৃষকদের আগামী দিনের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক অবস্থাকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।


More News Of This Category

You cannot copy content of this page