• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে পূর্ব শত্রুতার জেড়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ; বিজয়নগরে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগে বিল্লাল মেম্বারের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা বয়লার পরিচালকদের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর সনদ বাতিলের চক্রান্ত: মিরপুরে মানববন্ধনে রক্তক্ষয়ী হামলা, আহত একাধিক নাসিরনগরে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষ নাভিশ্বাস দুই বছরেও সংস্কার হয়নি। শাবিপ্রবির ‘চেতনা ৭১ বিজয়নগরে ‘দিশা’ এনজিওর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি ভবনের ছাদে সোলার স্থাপনে দপ্তর প্রধানদের নিয়ে মতবিনিময় বিএনপি সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাসী: এস এম ফয়সল পত্তন ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী মুফতি রহমত উল্লাহ কাসেমী চুনারুঘাট সীমান্তে ১৩০ বোতল ভারতীয় মদ ও ৮২ কেজি রসুন জব্দ

পূজা উদযাপন পরিষদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

অভিযান ডেস্ক / ২৯৪ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

হবিগঞ্জের মাধবপুরে পূজা উদযাপন পরিষদের তহবিলে থাকা অর্থের উৎস ও বৈধতা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, গত প্রায় ১৭ বছর ধরে উপজেলার শতাধিক সার্বজনীন মন্দিরে দুর্গাপূজার জন্য সরকারি বরাদ্দ হিসেবে আসা চাল বা অর্থের একটি অংশ বিধিবহির্ভূতভাবে পরিষদের তহবিলে জমা রাখা হতো।
বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের মাধ্যমে অডিট প্রতিবেদন দাবি করেছেন পূজা উদযাপন ফ্রন্টের মাধবপুর উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার প্রায় ১১৪টি সার্বজনীন মন্দির থেকে প্রতি বছর ২ থেকে ৩ হাজার টাকা করে রাখা হতো। দীর্ঘ সময় ধরে এভাবে সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকায় পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তবে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ দাবি করেছেন, সংগঠনের নামে গঠিত ফান্ডে বর্তমানে প্রায় ৮ লাখ টাকা জমা রয়েছে, যা এবি ব্যাংকে সংরক্ষিত আছে।
মাধবপুর উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক লিটন রায় জানান, “যে টাকা রয়েছে তা কমিটির কাছেই জমা আছে। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই অর্থ ব্যয় করা হবে। এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই।”
মাধবপুর পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক হীরেশ ভট্টাচার্য হিরো বলেন, “আমাদের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত দুর্গা উৎসবে কোনো কমিশন রাখা হয়নি। তবে বিগত কমিটির বিরুদ্ধে অনুদানের টাকা থেকে কমিশন নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে পুরো হিসাব প্রকাশ করা এখন সময়ের দাবি।”

অন্যদিকে, অনেক পূজারী ও স্থানীয়দের অভিযোগ— সংগঠনটির মূল দায়িত্ব ছিল পূজারীদের স্বার্থ রক্ষা ও ধর্মীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কিন্তু বিভিন্ন ঘটনায়, যেমন মণ্ডপে সাউন্ড সিস্টেম বন্ধ করে দেওয়া বা একটি মণ্ডপে পূজা স্থগিত হওয়া— এসব ক্ষেত্রে সংগঠনটির কার্যকর ভূমিকা দেখা যায়নি।

সচেতন মহল ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশ্ন— মন্দিরের জন্য সরকারি বরাদ্দ হিসেবে আসা অর্থ বা চালের অংশ কেন পূজা উদযাপন পরিষদের তহবিলে জমা হবে? এটি কি স্বেচ্ছা অনুদান, নাকি অঘোষিত চাঁদা? এছাড়া এ অর্থের ব্যয়, হিসাব ও জবাবদিহিতা নিয়েও উঠেছে নানা প্রশ্ন।
এদিকে, ভুক্তভোগীদের অভিযোগ রয়েছে— সুরমা বাগানের ৯নং ডিভিশনের একটি মন্দিরে ২০২৪ সালের দুর্গাপূজার বরাদ্দের ক্ষেত্রে নির্ধারিত টাকার চেয়ে কম প্রদান করা হয়েছে। এমন আরও একাধিক অভিযোগ উঠেছে যে, মন্দিরের বরাদ্দ থেকে একটি অংশ কমিশন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জনসম্মুখে প্রকাশ করা হোক এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক


More News Of This Category

You cannot copy content of this page