আলমগীর হোসেন স্টাফ রির্পোটার :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বিভিন্ন হাট-বাজার ও মোড়ে গড়ে ওঠা লাইসেন্সবিহীন অবৈধ ভাঙারি দোকানগুলো চোরাই মাল কেনাবেচার প্রধান আস্তানায় পরিণত হওয়ায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এসব দোকানে চোর চক্র বাসা-বাড়ি, নির্মাণাধীন ভবন, সরকারি স্থাপন বা বিভিন্ন দোকান থেকে লোহা, কপার ক্যাবল, টিউবওয়েল, ও ব্যাটারি চুরি করে সহজেই এসব ভাঙারি দোকানে দ্রুত বিক্রি করে দেয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে অধিকাংশ ভাঙারি দোকানদার মালামাল কেনার সময় বিক্রেতার পরিচয়পত্র, নাম-ঠিকানা বা মোবাইল নম্বর নথিভুক্ত করে না। স্থানীয় বাজারগুলোতে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত চুরি ও সীমান্ত সংলগ্ন চোরাচালানের সঙ্গে এসব অবৈধ ব্যবসা কাঠামোর পরোক্ষ সংযোগ থাকার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। রাতে বা নির্জন সময়ে এসব অবৈধ দোকানে মাদকসেবী ও বিভিন্ন অপরাধ চক্রের সদস্যদের আনাগোনা ও সন্দেহজনক আড্ডা বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় বাজার কমিটি ও নৈশপ্রহরীদের মাধ্যমে সন্দেহভাজন মালামাল পরিবহনের ওপর নজর না রাখায় এসব হচ্ছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। ভাঙারি ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা অবৈধভাবে চোরাই মালামাল কেনাবেচা করে না। তদন্ত করে প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান।
এ বিষয়ে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ বলেন, অভিযোগ পেলে আমরা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেব এবং ভাঙ্গারি দোকানগুলোর ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর রয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, চুরি প্রতিরোধের পাশাপাশি চোরাই মালামাল কেনাবেচার সম্ভাব্য স্থানগুলোতেও নজরদারি বাড়ানো হলে বিজয়নগরে চুরি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।