মোঃ শাহীন চৌধুরী :
স্থানীয় থেকে আজ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করার অনুমোতি পেল অভিযান এনজিও। গত ৪ আগস্ট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় (Ministry of Commerce)-এর অধীনে পরিচালিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানি নিবন্ধনের একমাত্র লাইসেন্সিং ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (RJSC – Registrar of Joint Stock Companies and Firms)-এর ডিপোটি রেজিস্টার মোঃ রাকিবুল ইসলাম এই অনুমোদনে স্বাক্ষর করেন। ( নতুন নিবন্ধন নম্বর- CHS-784) এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় পর্যায়ে মানবাধিকার সংক্রান্ত যাবতীয় কর্মসূচি, বিনামূল্যে আইন সহায়তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জনসচেতনতাসহ গঠনতন্ত্রের আলোকে যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। এ বিষয়ে অভিযান-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান সাংবাদিক সারুয়ার হাজারী পলাশ এক বিবৃতিতে বলেন, “ দীর্ঘ ২৪ বছরের নিরলস পথচলা ও আন্তর্জাতিক-জাতীয় উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় আমাদের প্রিয় সংস্থা অভিযান জাতীয় পর্যায়ে কাজ করার অফিসিয়াল অনুমোদন লাভ করেছে ।
একটি ক্ষুদ্র স্থানীয় উদ্যোগ থেকে শুরু করে আজ সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করার এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জন আমাদের সকল সদস্য, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একান্ত নিষ্ঠা, কঠোর পরিশ্রম এবং অকৃত্রিম ভালোবাসার ফসল। আজকের এই আনন্দের দিনে অভিযান পরিবারের প্রতি কেবল ধন্যবাদ জানিয়ে তাদের এই অবদান ছোট করব না—আপনাদের এই ভালোবাসা ও ত্যাগ আমি সারাজীবন হৃদয়ে ধারণ করব।
আজকের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে মনে পড়ছে আমাদের পরম আস্থাভাজন, অভিযান এর সাবেক পরিচালক প্রশাসন, মরহুম সাংবাদিক কাজী শরীফ উদ্দিন ভাইকে। তাঁর আদর্শ, দিকনির্দেশনা ও ভালোবাসায় অনুপ্রাণিত হয়েই আমরা প্রতিকূলতা পেরিয়ে এতদূর এগিয়ে যেতে পেরেছি। প্রান্তিক মানুষের অধিকার রক্ষা ও সমাজ পরিবর্তনের প্রত্যয়ে আমাদের এই নতুন যাত্রা। নতুন উদ্যম আর নতুন স্বপ্ন নিয়ে পথচলা শুরু হলো—আপনাদের ভালোবাসা ও দোয়া নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চাই বহুদূর। আমাদের সাথেই থাকুন।”
উল্লেখ্য: উক্ত সংস্থাটি ২০০২ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়ে ২০০৩ সালে ৪ ডিসেম্বর সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধিত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মাদক, বাল্য বিয়েসহ জনসচেতনতামূলক কর্মকান্ঠ নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে।
পরে সংস্থাটি ২০১৭ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে স্বীকৃতি লাভ করেন।