• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
 প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে ঠিকাদারের ধাওয়ার ঘটনায় মামলা নবিনগরে বাঁশ নিয়ে প্রকৌশলীকে তাড়া ঠিকাদারের বর্ণিল আয়োজনে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ মুরাদনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন নৌপুলিশের অভিযানে মেঘনায় বালু দস্যু চক্রের সদস্য খলিল গ্রেপ্তার সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন থেমে নেই বিজয়নগরের বালিয়াজুরী নদীর ব্রীজের  অভাবে ভোগান্তির স্বীকার  কৃষকরা রাত পোহালেই বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ সুস্থ সমাজ গঠনে সুশিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা জরুরি, জেলা প্রশাসক, সিলেট মরণফাঁদে পরিণত হচ্ছে বিজয়নগরের রাস্তা ঘাট, প্রশাসন দেখেও দেখছে না।

শাবি শিক্ষার্থীরা অনশন ভাঙলেন

Reporter Name / ৬৪৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২২

অভিযান ডেস্ক ঃ

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে সস্ত্রীক ক্যাম্পাসে এসে পানি পান করিয়ে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ ৭ দিনের অনশন ভাঙান শাবিপ্রবির এই সাবেক শিক্ষক। আন্দোলনের ১৩ম দিনে ও অনশনের দীর্ঘ ১৬২ ঘণ্টার বেশি সময় পর বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের হাতে অনশন ভেঙেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আন্দোলনরত ২৮ শিক্ষার্থী। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে টাকার অনুদান তুলে দিয়ে তিনি বলেন, আমি তোমাদের হাতে ১০ হাজার টাকা তুলে দিলাম। এখন দেখি আমাকে কে গ্রেফতার করে? আমি দেখতে চাই কারা আমাকে অ্যারেস্ট করতে আসেন।

এ সময় ড. ইয়াছমিন হক বলেন, আমার মনে হয় যে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে তা নামসর্বস্ব। এখন প্রতিটি ঘণ্টা তোমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চাই তোমরা অনশন ভেঙে আন্দোলন চালিয়ে যাও। তবে এজন্য তোমাদের বেঁচে থাকতে হবে। আমি এর আগে অনেক আন্দোলন দেখেছি এবং করেছি। তবে এমন নিষ্ঠুর আচরণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে করতে দেখিনি!

এসময় ড. জাফর ইকবাল বলেন, আমি এখানে আসতে চাইছিলাম না। কারণ তোমরা আমরা কথা না শুনলে তাই! তবে আমার ছেলে-মেয়েদের ওপর বিশ্বাস ছিল, তাই এসেছি। আমি সংকল্প করে এসেছি তোমাদের অনশন ভাঙিয়ে তারপর আমি সিলেট ছাড়ব। আমি চাই তোমরা আন্দোলন চালিয়ে যাও, তবে অনশন ভেঙে আন্দোলন করো। আন্দোলন আর অনশন ভিন্ন জিনিস! আমি এসেছি তোমাদের অনশন ভাঙাতে। পরে সকালে শিক্ষার্থীরা তার হাতে পানি পান করে অনশন ভাঙেন।

 

শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করেছিলাম যারা অনশন করতেছে তাদের যথাযথভাবে মেডিক্যাল সাপোর্ট দিচ্ছে। তবে এখানে এসে যা দেখলাম তা দেখে খুবই হতাশ হয়েছি। চিকিৎসা না দিয়ে ডাক্তাররা খুবই অমানবিক কাজ করেছেন।

 

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে জাফর ইকবাল বলেন, এই কয়দিনে তোমরা দেশের সব মহলকে দেখিয়ে দিয়েছ। তোমাদের কথা সবার কাছে পৌঁছে গেছে। আমি নিজেও এখান থেকে ফিরে তোমাদের কথা পৌঁছে দেব। আমি চাই না তোমরা নিজেদের জীবনকে হুমকির মধ্যে ফেলে দাও। তাই তাড়াহুড়ো করে চলে এসেছি তোমাদের দেখতে আর অনশন ভাঙাতে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে টাকার অনুদান তুলে দিয়ে তিনি বলেন, আমি তোমাদের হাতে ১০ হাজার টাকা তুলে দিলাম। এখন দেখি আমাকে কে গ্রেফতার করে? আমি দেখতে চাই কারা আমাকে অ্যারেস্ট করতে আসেন।

এ সময় ড. ইয়াছমিন হক বলেন, আমার মনে হয় যে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে তা নামসর্বস্ব। এখন প্রতিটি ঘণ্টা তোমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চাই তোমরা অনশন ভেঙে আন্দোলন চালিয়ে যাও। তবে এজন্য তোমাদের বেঁচে থাকতে হবে। আমি এর আগে অনেক আন্দোলন দেখেছি এবং করেছি। তবে এমন নিষ্ঠুর আচরণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে করতে দেখিনি!


More News Of This Category

You cannot copy content of this page