• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
দুই বছরেও সংস্কার হয়নি। শাবিপ্রবির ‘চেতনা ৭১ বিজয়নগরে ‘দিশা’ এনজিওর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি ভবনের ছাদে সোলার স্থাপনে দপ্তর প্রধানদের নিয়ে মতবিনিময় বিএনপি সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাসী: এস এম ফয়সল পত্তন ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী মুফতি রহমত উল্লাহ কাসেমী চুনারুঘাট সীমান্তে ১৩০ বোতল ভারতীয় মদ ও ৮২ কেজি রসুন জব্দ নেত্রকোণায় রোহিঙ্গা নাগরিকের এনআইডি তৈরির অভিযোগ নাসিরনগরে সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিকের মোবাইল ছিনতাই, ভিডিও মুছে দেওয়ার অভিযোগ আধুনিক ও যানজটমুক্ত পৌরসভার প্রত্যয়: ভোটারদের দ্বারে দ্বারে জেলা বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট রুমা মাঠে গড়াতে যাচ্ছে তারেক রহমান গোল্ডকাপের নকআউট পর্বের শেষ ম্যাচ, প্রস্তুত টেপিরবাড়ী দেওচালার ফুটবলপ্রেমীরা

অনিয়মের আখড়া বিজয়নগরের সাব-রেজিস্ট্রার অফিস, টাকা ছাড়া নড়ে না ফাইল

স্টাফ রিপোর্টার / ৫৪০ Time View
Update : শুক্রবার, ২৫ জুলাই, ২০২৫

ক্ষমতার অপব্যবহার ও মোটা অঙ্কের অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে বেআইনিভাবে জমির দলিল তৈরি ও হস্তান্তরের অভিযোগ মিলেছে বিজয়নগরের সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে।এখানে সরাসরি চলে আর্থিক লেনদেন।  দলিল লেখক প্রতি দলিলে দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত চার হাজার টাকা করে। ভুক্তভোগীরা অতিরিক্ত টাকা দিয়েও অস্বীকার করছে যাতে আটকে না যায় তাদের দলিল। এমন কি দলিল লেখকরাও গোপনে স্বীকার করে সম্মুখে অস্বীকার করছে কারণ তারা ম্যানেজ করে চলতে হয়। আর এসব লেনদেনের ভিডিও ফুটেজ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে সাব রেজিষ্টার অফিস অস্বীকার করে ভিডিও ফুটেজ দেখাতে বলেন। এমনকি সাংবাদিকদের সাথে তা চ্যালেন্স করেন। সাব রেজিষ্টারের চাপে পড়ে সা্ংবাদিকরা ভিডিও ফঠুটেজ দেখালে সে ব্যবস্থা নিবে বলে আশস্ব করেন। ভিডিওতে গত ১৭ই জুন (মঙ্গলবার) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সাপ্তাহিক সাব রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মচারী সুফলা আক্তার দলিল লেখক এর কাছ থেকে ১০০০ টাকার নোট এর বান্ডেল গুনতে দেখা যায়। গোপন সূত্রে জানা যায়, প্রতি দলিল লেখকের কাছ থেকে সরকারি ফি ব্যাংক চালান ছাড়াও অতিরিক্ত অফিস ও স্টাফ খরচ বাবদ প্রতি দলিলে নগদ ৪ হাজার টাকা দিতে হয়। এছাড়াও কাগজপত্রে সামান্য সমস্যা থাকলে গুনতে হয় লাখ টাকা। আর এসবের ব্যয়ভার বহন করতে হচ্ছে অসহায় ক্রেতা ও বিক্রেতা। এ সব দুর্নীতির সরাসরি সত্যতা থাকলেও সাফাই গাইতে আসছে অনেক দলিল লেখক। সব দুর্নীতিকে অস্বীকার করে তারা সাংবাদিক কে জানান, এটা কোন বিষয় না, অফিস খরচ বাবদ। প্রতি দলিলে ৩৭০ টাকা নেওয়ার বিধান আছে। যদিও ওই মহিলাকে গুনতে দেখা যায় হাজার হাজার টাকার নোট। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন দলিল লেখক জানান, অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার বিষয়টা শুধু আমাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ, দলিলের মূল্যের উপরে প্রতি লাখে ৭০০ টাকা রেজিস্ট্রি অফিসে অতিরিক্ত দিতে হয়। দলিল স্বাক্ষর হওয়ার পর পরই তাদেরকে এই টাকাটা দিতে হয়। আর এসব ঘুষের টাকা, মাস শেষে অফিসের স্টাফদের মধ্যে বন্টন করে নেয়া হয় ।এ বিষয়ে ওই অফিসের সাব-রেজিস্টার মশিউর রহমান চ্যালেঞ্জে করে বলেন, আমাকে সত্যতার ভিডিও ফুটেজ দেখালে আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। যদিও ভিডিও ফুটেজ দেখার পর এখন পর্যন্ত কোন আইনি পদক্ষেপ নেয়নি। এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা রেজিস্টার, খালিদ মোহাম্মদ বিন আসাদ জানান, আমি এ বিষয়ে অবগত নয় তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।


More News Of This Category

You cannot copy content of this page