নেত্রকোণা জেলা শহরের ব্যবসায়িক প্রাণকেন্দ্র নামে সুপরিচিত নেত্রকোণা বড়বাজার। কাসেম টাওয়ার এরই একটি অংশ। এই টাওয়ারেই ম্যাসাজ পার্লারের আড়ালে দেহব্যবসার অভিযোগ উঠেছে পার্লার ব্যবসায়ী পাপিয়ার বিরুদ্ধে কিন্তু অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলছেন পাপিয়া।

নেত্রকোণা জেলা শহরের বাণিজ্যিক এলাকা বড় বাজারে বাসা ভাড়া নিয়ে পার্লারের ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন যাবত দেহব্যবসা করার অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায়, স্থানীয় কাশেম মিয়ার ❝কাসেম টাউয়ার❞ নামীয় বাসায় এসব অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে কয়েকজন নারী-পুরুষকে সম্প্রতি গ্রেপ্তার করে নেত্রকোণা মডেল থানা পুলিশ। আটকের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য লক্ষ্য করা যায়।
আবির হাসান হিমেল নামে একজন নেটিজেন লিখেছেন, ওদের সবাইকে ধরতে হবে ধরে এনে আইনের আওতায় দিতে হবে যারা অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত এবং এতিমের সাথে অন্যায় করেছে। মো: শামীম আজাদ নামে একজন নেটিজেন লিখেছেন, এতিম ভাতিজার হক খায় যে সকল চাচারা তাদের কর্মফল আল্লাহর কাছ থেকেই আসে। আব্দুল হাই নামে একজন লিখেছেন, সব জেলায় একই অবস্থা। আশ্রাফ আলী নামে একজন লিখেছেন, এমন বাসা নেত্রকোনায় অনেক আছে। স্কুল-কলেজের মেয়েরা ৫০০ টাকা ভাড়ায় একান্তে সময় কাটায়। রাসেল খান লিখেছেন, এরা হচ্ছে নারী উদ্যোক্তা। রওশন আরা রওনক লিখেছেন, বাসার মালিক সচেতন হলে শহরটা সুন্দর থাকবে। জহুরুল ইসলাম লিখেছেন, সমস্যা নেই। বাপ্পী শেখ লিখেছেন, কাশেমের বাসায় নয় বছর নডির ব্যাপসা হইছে এখন কয় সে যানেনা, ওরা দালালী খাইছে নয় বছর, আমি ফোন দিয়ে সাত বছর আগেই বলেছিলাম আমাকে উল্টো বকা দিছে, ওদের কেও আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাই।
এ ব্যাপারে আলভী বিউটি পার্লার ও ইয়া বিউটি পার্লারের স্বত্বাধিকারী পাপিয়া বলেন, গত ১০ বছর যাবত আমি বড়বাজারে ব্যবসা করছি এখানে কেউ আমার বিপক্ষে না৷ দূরের কেউ ষড়যন্ত্র করে আমাকে ফাঁসিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব প্রচারের পর আমার কাস্টমার কমে গেছে। আমার পার্লারের ব্যবসা এখন মন্দা চলছে।
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেত্রকোণার দেহব্যবসায়ীদের নিয়ে সরব হয়ে উঠেছেন নেটিজেনরা। জেলার বেশকিছু দেহব্যবসায়ীদের নিয়ে বিভিন্ন ফেইসবুক পোস্টে নেটিজেনরা বিভিন্ন ব্যবসার আড়ালে দেহব্যবসা যারা করে আসছে তাদের বিরুদ্ধে সরব হয়ে উঠেছেন। স্কুল-কলেজের কিশোরী যুবতীসহ নানা শ্রেণী-পেশার নারীদের দিয়ে যারা এসব ব্যবসা করান তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন পদক্ষেপকেও স্বাগত জানিয়েছেন নেত্রকোণার সচেতন মহল।